শেষ চিঠি 💌
তাসলিমা জাহান
রাত তখন ১২টা।
চারদিকে নীরবতা। হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল।
মেহেরিনা খান মেহের চমকে উঠল। এত রাতে কে আসবে?
সে ধীরে ধীরে দরজা খুলল…
কিন্তু বাইরে কেউ নেই।
শুধু মাটিতে একটা খাম পড়ে আছে। ✉️
খামের উপর লেখা —
"শেষ চিঠি"
মেহেরের বুক ধক করে উঠল।
সে ধীরে ধীরে খামটা তুলে নিল।
ভেতরে একটা চিঠি…
"যদি সত্য জানতে চাও, কাল বিকেল ৫টায় পুরোনো লাইব্রেরিতে এসো… একা।"
মেহের অবাক হয়ে গেল।
কারণ পুরোনো লাইব্রেরি অনেক বছর ধরে বন্ধ।
হঠাৎ ফোন বেজে উঠল। 📱
স্ক্রিনে নাম ভেসে উঠল —
আব্রাহাম চৌধুরী মিরাজ
মেহের ফোন ধরল।
— "হ্যালো?"
ওপাশ থেকে মিরাজ বলল,
— "মেহের… তোমার কাছে কি কোনো চিঠি এসেছে?"
মেহের স্তব্ধ হয়ে গেল।
— "তুমি জানো?"
মিরাজ ধীরে বলল…
— "আমার কাছেও এসেছে… একই চিঠি।"
দুজনেই নীরব হয়ে গেল।
কারণ…
চিঠির নিচে লেখা ছিল একটা নাম —
যে নামটা তারা তিন বছর ধরে শুনতে চায়নি…
"শেষ চিঠি পাঠিয়েছে — অদৃশ্য মানুষ"
রাতটা আর ঘুম হলো না মেহেরের।
বারবার চিঠিটার দিকে তাকাচ্ছিল সে।
"অদৃশ্য মানুষ…"
এই নামটা শুনলেই শরীর কেঁপে ওঠে তার।
কারণ তিন বছর আগে —
এই নামের সাথেই জড়িয়ে আছে এক ভয়ংকর রাত…
সকাল হলো। ☀️
মেহেরের ফোনে মেসেজ এল।
মিরাজ লিখেছে —
"আজ বিকেল ৫টায় আমি যাচ্ছি। তুমি আসবে?"
মেহের কিছুক্ষণ ভাবল…
তারপর লিখল —
"হ্যাঁ… আমি আসব।"
বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট। ⏰
পুরোনো লাইব্রেরির সামনে দাঁড়িয়ে আছে মেহের।
ভাঙা দরজা…
ধুলো জমা দেয়াল…
চারদিকে অদ্ভুত নীরবতা।
হঠাৎ পিছন থেকে একটা কণ্ঠ —
— "মেহের…"
মেহের ঘুরে তাকাল।
মিরাজ দাঁড়িয়ে আছে।
তার চোখেও একই ভয়…
— "তুমিও এসেছো…"
— "হ্যাঁ…"
দুজনেই ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকল। 🚪
লাইব্রেরির ভেতরে অন্ধকার।
হঠাৎ একটা টেবিলের ওপর আলো জ্বলল। 💡
দুজনেই চমকে উঠল।
টেবিলের ওপর আবার একটা খাম… ✉️
খামের উপর লেখা —
"তোমরা এসেছো… ভালো।"
মিরাজ ধীরে খামটা খুলল।
ভেতরে একটা ছবি… 📷
ছবিটা দেখে দুজনেই জমে গেল।
ছবিতে —
তারা তিনজন দাঁড়িয়ে আছে…
মেহের…
মিরাজ…
আর —
তৃতীয় জন…
যে তিন বছর আগে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল…
হঠাৎ পিছনে দরজা বন্ধ হয়ে গেল —
ধাম!!! 🚪
মেহের ভয়ে ফিসফিস করে বলল —
"মিরাজ… আমরা একা নই…"
অন্ধকারের ভেতর থেকে একটা কণ্ঠ ভেসে এল —
— "তোমরা আমাকে ভুলে গিয়েছিলে… কিন্তু আমি তোমাদের ভুলিনি…"
অন্ধকারে কণ্ঠটা আবার শোনা গেল —
— "তিন বছর আগে তোমরা আমাকে ফেলে চলে গিয়েছিলে…"
মেহেরের গলা শুকিয়ে গেল।
— "তুমি… কে?"
হঠাৎ আলোটা নিভে গেল। 💡
পুরো লাইব্রেরি অন্ধকারে ডুবে গেল।
মিরাজ মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালাল। 📱
আলোটা সামনে পড়তেই —
মেঝেতে নতুন একটা চিঠি দেখা গেল। ✉️
মিরাজ কাঁপা হাতে চিঠিটা তুলল।
চিঠিতে লেখা —
"তিন বছর আগে
সেই রাতে তোমরা তিনজন এসেছিলে এখানে…
কিন্তু ফিরে গিয়েছিলে শুধু দুজন…"
মেহেরের চোখ বড় হয়ে গেল।
তার মনে পড়ে গেল সেই রাতটা…
বৃষ্টি পড়ছিল… 🌧️
তারা তিনজন লাইব্রেরিতে ঢুকেছিল একটা রহস্য খুঁজতে…
তারপর…
একটা চিৎকার…
হঠাৎ আলো নিভে যাওয়া…
আর তারপর —
তৃতীয় জন হারিয়ে যায়…
মিরাজ ফিসফিস করে বলল —
— "মেহের… তুমি কি মনে করতে পারছ?"
মেহের ধীরে মাথা নাড়ল।
হঠাৎ উপরের তলা থেকে শব্দ এল —
ঠক… ঠক… ঠক… 👣
দুজনেই একসাথে উপরের দিকে তাকাল।
সিঁড়ির উপর দাঁড়িয়ে আছে একটা ছায়া…
ধীরে ধীরে ছায়াটা এগিয়ে আসছে…
মেহেরের হাত ঠান্ডা হয়ে গেল।
ছায়াটা সামনে আসতেই —
দুজনেই জমে গেল।
কারণ…
ছায়াটা দেখতে ঠিক —
মিরাজের মতো!
মেহের কাঁপা গলায় বলল —
"মিরাজ… তাহলে তুমি…?"
মিরাজ অবাক হয়ে নিজের দিকে তাকাল…
আর সেই ছায়াটা ধীরে হাসল…
— "আমি ফিরেছি… শেষ চিঠি দিতে…"
(চলবে...)
ছায়াটা ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামছিল। মিরাজ মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইটটা শক্ত করে ধরে রাখল। 📱
আলোটা ছায়ার মুখে পড়তেই মেহেরের বুক ধড়ফড় করতে লাগল। তার হাত কাঁপছিল, আর শ্বাস থেমে-থেমে আসছিল।
মুখটা… একদম মিরাজের মতো।
মেহের কাঁপা গলায় বলল —
— "মিরাজ… ওটা… তোমার মতো কেন?"
মিরাজ নিজেকে নিশ্চিত করতে নিজের চোখে হাত দিল। কিন্তু তার নিজের শরীরও কেঁপে উঠছিল। সে হঠাৎ ভীত হল, কারণ তার সামনে থাকা ছায়া যেন মানুষের মতো… কিন্তু মানুষের নয়।
ছায়াটা ধীরে ধীরে হাসল। হাসিটা অদ্ভুত… ঠান্ডা… এবং কোনোরকম উষ্ণতা ছিল না।
— "ভয় পাচ্ছো?"
মিরাজ কন্ঠ স্তব্ধ হয়ে বলল —
— "তুমি কে?"
ছায়াটা ধীরে ধীরে এগিয়ে এলো। তার পায়ের শব্দ লাইব্রেরির নীরবতায় প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। ঠক… ঠক… ঠক… 👣
মেহের পিছিয়ে গেল, তার হাত হাতিয়ার মতো ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল।
— "তিন বছর আগে… তোমরা আমাকে এখানে রেখে চলে গিয়েছিলে…"
মেহের চিৎকার করতে চাইল, কিন্তু গলায় শব্দ আটকে গেল।
— "না… আমরা কাউকে রেখে যাইনি!"
হঠাৎ জানালার বাইরে ঝড়ের বাতাস বইতে লাগল। 🌬️ পাতার শব্দ, পুরোনো কাগজের ভাসা, সব মিলিয়ে ভয়ংকর এক শব্দচিত্র তৈরি করল।
মিরাজ নিচের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ থমকে গেল। মেঝেতে নতুন একটা চিঠি পড়ে আছে। ✉️
— "মেহের… দেখো…"
মিরাজ কাঁপা হাতে চিঠিটা তুলল। কাগজটা ঠান্ডা, যেন বরফের মতো। সে ধীরে ধীরে চিঠিটা খুলল।
চিঠিতে লেখা:
"তোমরা ভুলে গেছ… কিন্তু আমি ভুলিনি… সেই রাতের শেষ চিৎকারটা…"
মেহেরের চোখ বড় হয়ে গেল। তার মাথার ভেতর হঠাৎ ঝলক দিতে লাগল। সে ধীরে ধীরে সব কিছু মনে করতে শুরু করল।
বৃষ্টি পড়ছিল… 🌧️
তাদের তিনজন লাইব্রেরির ভেতর ঢুকেছিল। মেঝেতে পানি পড়ছিল, বাতাস বইছিল, এবং অন্ধকার করিডোর তাদের চারপাশ ঘিরে রেখেছিল।
হঠাৎ একটি চিৎকার।
কেউ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে গেছে…
মেহের মাথা চেপে ধরল।
— "আমার… কিছু মনে পড়ছে…"
মিরাজ চিন্তিত হয়ে বলল —
— "কি মনে পড়ছে?"
— "আমরা তিনজন ছিলাম… কিন্তু তৃতীয় জন কে… আমি মনে করতে পারছি না…"
হঠাৎ উপরের তলা থেকে শব্দ উঠল।
ঠক… ঠক… ঠক… 👣
দুজনেই একসাথে উপরের দিকে তাকাল।
ছায়াটা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছিল।
— "থামো! তুমি কে বলো!" মিরাজ চিৎকার করল।
ছায়াটা থামল না। ধীরে ধীরে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।
হঠাৎ লাইব্রেরির সব আলো একসাথে জ্বলে উঠল। 💡
দুজনেই চারদিকে তাকাল। মেঝেতে আর কোনো চিঠি নেই।
— "আমরা কি ভুল দেখলাম?" মেহের ফিসফিস করে বলল।
মিরাজ কিছু বলল না। তার মোবাইল হঠাৎ কেঁপে উঠল।
একটা নতুন মেসেজ এসেছে।
মেসেজে লেখা:
"তোমরা এখনো বের হতে পারবে না…"
মিরাজের মুখ শুকিয়ে গেল।
ঠিক তখনই লাইব্রেরির দরজা জোরে বন্ধ হয়ে গেল।
ধাম!
— "দরজা বন্ধ হয়ে গেল!" মেহের চিৎকার করল।
মিরাজ দরজার দিকে দৌড়ে গেল। সে দরজা টানল, ধাক্কা দিল… কিন্তু দরজা নড়ল না।
পেছন থেকে ফিসফিস শব্দ এল —
— "এখনো একজন বাকি আছে…"
দুজনেই ধীরে ঘুরে দাঁড়াল।
দেয়ালে ঝুলানো পুরনো ছবিটা চোখে পড়ল।
ছবিটায় তিনজন দাঁড়িয়ে আছে — মেহের, মিরাজ, আর তৃতীয় জনের মুখ কালো কালি দিয়ে মুছে দেওয়া।
মেহের কাঁপা গলায় বলল —
— "মিরাজ… আমরা কি সত্যিই তিনজন ছিলাম…?"
ঠিক তখনই ছবিটা নিজে নিজে পড়ে গেল।
ঠক!
ছবির পিছনে লাল রঙে লেখা —
"আমি এখনো এখানে আছি… ফিরে এসেছি…"
উপরের তলা থেকে আবার পায়ের শব্দ এল —
ঠক… ঠক… ঠক… 👣
দুজনই ভয়ে জমে দাঁড়াল।
(চলবে....)
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই?
আমার গল্পটি সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইল, আমার গল্প ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন, আমি "এসএসসি পরীক্ষার্থী 'তবুও লিখি, আমার শখ তাই💌
।।আল্লাহ হাফেজ।।
ঠক… ঠক… ঠক… 👣
পায়ের শব্দটা এবার আরও কাছে এসে থেমে গেল।
মেহের আর মিরাজ নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল।
হঠাৎ ওপরের ঘরের দরজাটা ধীরে ধীরে কড় কড় শব্দ করে খুলে গেল…
— "কে… কে আছে ওখানে?"
মিরাজ কাঁপা গলায় বলল।
কোনো উত্তর নেই।
শুধু ঠান্ডা বাতাস ধীরে ধীরে নিচে নামতে লাগল।
মেহেরের শরীর কেঁপে উঠল।
— "মিরাজ… আমরা নিচে চলে যাই… আমার ভালো লাগছে না…"
— "না… এখন গেলে চলবে না… কেউ আমাদের ডেকেছে…"
ঠিক তখনই ওপরের ঘর থেকে একটা ফিসফিস শব্দ ভেসে এল —
— "এসো…"
দুজনেই জমে গেল।
মেহের ধীরে ধীরে বলল —
— "তুমি শুনলে?"
— "হুম…"
মিরাজ মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালাল।
ধীরে ধীরে তারা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে লাগল।
প্রতিটা ধাপ যেন ভারী হয়ে উঠছিল।
ঠক… ঠক… ঠক…
হঠাৎ মেহের থেমে গেল।
— "মিরাজ…"
— "কি হয়েছে?"
মেহের কাঁপা হাতে সামনে দেখাল।
সিঁড়ির দেয়ালে আবার একটা ছবি ঝুলছে।
এই ছবিটা আগেরটার মতোই পুরোনো।
কিন্তু এবার ছবিটায় তিনজন না… চারজন দাঁড়িয়ে আছে।
মেহের, মিরাজ… আর সেই অজানা তৃতীয় ব্যক্তি…
আর চতুর্থ জন… দাঁড়িয়ে আছে একটু দূরে…
তার মুখ দেখা যাচ্ছে না।
মিরাজ ছবিটার কাছে গিয়ে তাকাল।
— "এটা তো অসম্ভব…"
ঠিক তখনই ছবির চতুর্থ ছায়াটা যেন একটু নড়ে উঠল।
মেহের ভয়ে পিছিয়ে গেল।
— "মিরাজ… এটা নড়ল!"
হঠাৎ করে ছবিটার কাঁচ ফেটে গেল।
ঠাস!
দুজনেই চমকে উঠল।
ছবির ভেতর থেকে একটা কাগজ ধীরে ধীরে নিচে পড়ে গেল।
মিরাজ কাগজটা তুলে নিল।
লাল কালিতে লেখা —
"তোমরা ফিরে এসেছ… এবার সত্যিটা জানো…"
মেহের গিলে ফেলল লালা।
— "সত্যি… মানে?"
ঠিক তখনই ওপরে ঘর থেকে আবার শব্দ এল —
ঠক… ঠক…
দরজাটা এবার পুরো খুলে গেল।
ভেতরটা অন্ধকার।
মিরাজ সাহস করে সামনে এগোল।
মেহের তার হাত শক্ত করে ধরে রইল।
ঘরের ভেতরে ঢুকতেই ঠান্ডা হাওয়া বইতে লাগল।
ঘরের মাঝখানে একটা পুরোনো টেবিল।
তার ওপর একটা খাম রাখা।
খামের ওপর লেখা —
"শেষ চিঠি"
মেহের কাঁপা হাতে খামটা তুলল।
ধীরে ধীরে খুলল।
ভেতরে একটা চিঠি…
মেহের পড়তে শুরু করল —
"তোমরা আমাকে ভুলে গিয়েছিলে…
তিন বছর আগে এই বাড়িতে যা ঘটেছিল…
তোমরা তিনজন ছিলে… কিন্তু বের হয়েছিলে দুজন…"
মেহের থেমে গেল।
— "মিরাজ… আমরা কি কাউকে ফেলে গিয়েছিলাম?"
মিরাজ কিছু বলল না।
তার চোখ হঠাৎ বড় হয়ে গেল।
— "মেহের… পিছনে তাকাও না…"
মেহেরের বুক ধড়ফড় করতে লাগল।
— "কেন?"
— "তাকিও না…"
কিন্তু ঠিক তখনই মেহের অনুভব করল…
তার পিছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে…
ধীরে ধীরে ঠান্ডা নিঃশ্বাস লাগল তার ঘাড়ে…
— "তোমরা… আমাকে… ভুলে গিয়েছিলে…"
মেহের চিৎকার করে পিছনে ঘুরে দাঁড়াল।
কিন্তু সেখানে কেউ নেই।
হঠাৎ দরজাটা নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে গেল।
ধাম!
ঘর অন্ধকার হয়ে গেল।
মোবাইলের আলো নিভে গেল।
মেহের কাঁপা গলায় বলল —
— "মিরাজ… তুমি আছো?"
কোনো উত্তর নেই।
— "মিরাজ…?"
নীরবতা…
ঠিক তখনই অন্ধকারে একটা কণ্ঠ ভেসে এল —
— "এবার… তোমার পালা…"
মেহেরের গলা শুকিয়ে গেল…
তারপর ধীরে ধীরে অন্ধকারের ভেতর থেকে একটা ছায়া এগিয়ে এল…
ঠিক তখনই ছায়াটা মেহেরের দিকে ধীরে ধীরে হাত বাড়াল…
মেহের পিছিয়ে যেতে গিয়ে টেবিলে ধাক্কা খেল।
চিঠিটা মেঝেতে পড়তেই হঠাৎ লাল আলো জ্বলে উঠল।
দেয়ালে আবার ভেসে উঠল সেই চারজনের ছায়া…
আর একসাথে ফিসফিস করে কণ্ঠটা বলল — "এবার সত্যিটা মনে করো…" 😱
__________আসসালামু আলাইকুম ___________
আশা করি সবাই ভালো আছেন, এরপর থাকবে মেহেরের সামনে আসলে কে দাঁড়িয়েছিল,মিরাজ হঠাৎ কোথায় হারিয়ে গেল, অন্ধকার ঘরে কে ফিসফিস করে বলল এবার
তোমার পালা। আল্লাহ হাফেজ,টাটা টাটা💌💌 আসসালামু আলাইকুম।
Download NovelToon APP on App Store and Google Play