বিধবা ভাবির গোপন ঘর - ১৮বছরের দেবরের নিষিদ্ধ রাত
রাত ১১টা। বাইরে ঝমঝম বৃষ্টি। কারেন্ট নাই। পুরো বাড়ি অন্ধকার।
নিলয়, ১৯ বছরের ভার্সিটির ছাত্র। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর বড় ভাই আশ্রয় দিয়েছিলো। কিন্তু ৬ মাস আগে ভাইও রোড অ্যাক্সিডেন্টে চলে গেলো। এখন এই বাড়িতে শুধু সে আর বিধবা ভাবি মায়া।
মায়া ২৪ বছরের। ফর্সা, লম্বা। ভাই মারা যাওয়ার পর থেকে সাদা শাড়ি পরে। আজ বৃষ্টিতে ভিজে বারান্দা থেকে কাপড় আনতে গিয়ে পুরো শরীর ভিজিয়ে ফেলেছে।
"নিলয়, মোমবাতিটা ধরো" - ভাবির গলা ভেসে এলো।
নিলয় মোমবাতি নিয়ে রান্নাঘরে গেলো। আর তখনই তার দম বন্ধ হয়ে এলো। রাত ১১টা। বাইরে মুষলধারে বৃষ্টি।
কারেন্ট চলে গেছে আরও ঘন্টাখানেক আগে। পুরো বাড়ি অন্ধকার।
নিলয়ের বয়স ১৯। ভার্সিটি ফার্স্ট ইয়ার। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর বড় ভাই আশ্রয় দিয়েছিলো। কিন্তু ৬ মাস আগে রোড অ্যাক্সিডেন্টে ভাইও চলে গেলো। এখন এই বিশাল বাড়িতে শুধু সে আর ভাবি মায়া।
মায়া। ২৪ বছরের বিধবা। ফর্সা, লম্বা। ভাই মারা যাওয়ার পর থেকে সাদা শাড়ি ছাড়া কিছু পরে না। কিন্তু আজ বৃষ্টিতে ভিজে বারান্দা থেকে কাপড় আনতে গিয়ে পুরো ভিজে গেছে।
"নিলয়, মোমবাতিটা ধরো তো" - ভাবির গলা ভেসে এলো রান্নাঘর থেকে।
নিলয় মোমবাতি নিয়ে গেলো। আর তখনই তার দম বন্ধ হয়ে এলো।
মায়া ভাবির সাদা শাড়ি পানিতে ভিজে শরীরের সাথে একদম লেপ্টে আছে। ভেজা কাপড়ের ভেতর দিয়ে ভাবির শরীরের প্রতিটা ভাঁজ স্পষ্ট। ২৪ বছরের যুবতী শরীর। বিধবার সাদা শাড়ির নিচে যেন আগুন জ্বলছে।
নিল
মায়ার সাদা শাড়ি পানিতে ভিজে শরীরের সাথে লেপ্টে আছে। ভেজা কাপড়ের ভেতর দিয়ে ২৪ বছরের যুবতী শরীরের প্রতিটা ভাঁজ স্পষ্ট। বিধবার স
রাত ১১টা। ঝমঝম বৃষ্টি। কারেন্ট নাই।
নিলয় ১৯ বছরের। ভার্সিটিতে পড়ে। ৬ মাস আগে বড় ভাই মারা যাওয়ার পর বাড়িতে শুধু সে আর বিধবা ভাবি মায়া।
মায়া ২৪ বছরের। সাদা শাড়ি পরে থাকে। আজ বৃষ্টিতে ভিজে কাপড় আনতে গিয়ে পুরো ভিজে গেছে।
"নিলয়, মোমবাতি ধরো" - ভাবি ডাকলো।
নিলয় রান্নাঘরে গিয়ে থমকে গেলো। মায়ার সাদা শাড়ি ভিজে শরীরের সাথে লেপ্টে আছে। ২৪ বছরের যুবতী শরীরের সব ভাঁজ স্পষ্ট।
নিলয় চোখ সরাতে পারলো না। এতদিন মায়ের মতো ভেবেছে। আজ অন্যরকম লাগছে।
"কি দেখছো?" মায়া লজ্জায় আঁচল টানলো। ভেজা আঁচল আরও লেপ্টে গেলো।
"ভাবি, ভিজে গেছেন। ঠান্ডা লাগবে।"
মায়া হাসলো। "আমার ঠান্ডার ভয় আর কার? তুমি ছাড়া কে আছে?"
"আপনার কষ্ট হয় না ভাবি? একা থাকতে?"
মায়ার চোখ ছলছল করলো। "রাতে শরীর জ্বলে পুড়ে যায়। বালিশ কামড়ে থাকি। সকালে আবার লক্ষ্মী স
রাত ১১টা। ঝমঝম বৃষ্টি। কারেন্ট নাই।
নিলয় ১৯ বছরের। ভার্সিটিতে পড়ে। ৬ মাস আগে বড় ভাই মারা যাওয়ার পর বাড়িতে শুধু সে আর বিধবা ভাবি মায়া।
মায়া ২৪ বছরের। সাদা শাড়ি পরে থাকে। আজ বৃষ্টিতে ভিজে কাপড় আনতে গিয়ে পুরো ভিজে গেছে।
"নিলয়, মোমবাতি ধরো" - ভাবি ডাকলো।
নিলয় রান্নাঘরে গিয়ে থমকে গেলো। মায়ার সাদা শাড়ি ভিজে শরীরের সাথে লেপ্টে আছে। ২৪ বছরের যুবতী শরীরের সব ভাঁজ স্পষ্ট।
নিলয় চোখ সরাতে পারলো না। এতদিন মায়ের মতো ভেবেছে। আজ অন্যরকম লাগছে।
"কি দেখছো?" মায়া লজ্জায় আঁচল টানলো। ভেজা আঁচল আরও লেপ্টে গেলো।
"ভাবি, ভিজে গেছেন। ঠান্ডা লাগবে।"
মায়া হাসলো। "আমার ঠান্ডার ভয় আর কার? তুমি ছাড়া কে আছে?"
"আপনার কষ্ট হয় না ভাবি? একা থাকতে?"
মায়ার চোখ ছলছল করলো। "রাতে শরীর জ্বলে পুড়ে যায়। বালিশ কামড়ে থাকি। সকালে আবার লক্ষ্মী সরাত ১১টা। ঝমঝম বৃষ্টি। কারেন্ট নাই।
নিলয় ১৯ বছরের। ভার্সিটিতে পড়ে। ৬ মাস আগে বড় ভাই মারা যাওয়ার পর বাড়িতে শুধু সে আর বিধবা ভাবি মায়া।
মায়া ২৪ বছরের। সাদা শাড়ি পরে থাকে। আজ বৃষ্টিতে ভিজে কাপড় আনতে গিয়ে পুরো ভিজে গেছে।
"নিলয়, মোমবাতি ধরো" - ভাবি ডাকলো।
নিলয় রান্নাঘরে গিয়ে থমকে গেলো। মায়ার সাদা শাড়ি ভিজে শরীরের সাথে লেপ্টে আছে। ২৪ বছরের যুবতী শরীরের সব ভাঁজ স্পষ্ট।
নিলয় চোখ সরাতে পারলো না। এতদিন মায়ের মতো ভেবেছে। আজ অন্যরকম লাগছে।
"কি দেখছো?" মায়া লজ্জায় আঁচল
***Download NovelToon to enjoy a better reading experience!***
Comments